সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বেহাল বিহারীপুর সড়ক, দুর্ভোগে কয়েক গ্রামের মানুষ বাহুবলে পূর্ব বিরোধে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নিহত ২ আহত ৪০ সাতছড়ি বনে গাছ চুরি,সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত শুরু বিভাগীয় পর্যায়ে চুনারুঘাট ডিসিপি হাই স্কুলের খুদে বিজ্ঞানীদের চমক সাতছ‌ড়ি‌ জাতীয় উদ‌্যান থে‌কে সেগুনগাছ চু‌রি DEMON 71 এর আবারো চমক, বিভাগীয় বিজ্ঞান মেলায় প্রথম স্থান অর্জন স্বর্ণপদক জয় করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে যাচ্ছে বাহুবলের “DEMON 71” টিম অ্যাম্বুলেন্স গ্যারেজবন্দি, চালক সংকটে সচল কর্মকর্তার গাড়ি বর্তমানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি মজুত আছে একটি শাটার বিকল, দেড় মাস গ্যারেজবন্দি বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স

এক মাস পর স্বাভাবিক হচ্ছে শাবিপ্রবির শিক্ষা কার্যক্রম

তরফ নিউজ ডেস্ক: প্রায় এক মাস পর স্বাভাবিক হচ্ছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষা কার্যক্রম। সোমবার থেকে শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল খোলার মধ্য দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হবে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে অনলাইনে ক্লাস।

রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অনলাইনে শাবিপ্রবির সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক করার বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত হয়।

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ জানুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইশফাকুল ইসলাম।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘১৪ ফেব্রুয়ারি আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। পর দিন যথারীতি অনলাইনে ক্লাস শুরু হবে এবং সরকারের কোনো বিধিনিষেধ না থাকলে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রেণিকক্ষে কার্যক্রম চলবে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে টানা ২৭ দিন আন্দোলনের পর গত শনিবার কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আগের দিন শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

গত ১৩ জানুয়ারি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অসদাচরণসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন ছাত্রীরা।

১৬ জানুয়ারি দাবি আদায়ের লক্ষ্যে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করা অবস্থায় পুলিশ শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করে এবং তাদের লক্ষ্য করে শটগানের গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। পরে এই আন্দোলন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে রূপ নেয়। ওই দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

প্রথম ছয় দিনে দাবি পূরণ না হওয়ায় ১৯ জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন ২৪ শিক্ষার্থী। ২৬ জানুয়ারি সকালে অনশনস্থলে এসে লেখক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মুহম্মদ জাফর ইকবাল শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান। তবে শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙলেও উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছিলেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটের কোন কনটেন্ট অনুমতি ব্যতিত কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Design & Developed BY ThemesBazar.Com